বারবার নির্বাচনের কথা বলে, নতুন বাংলাদেশে জনপ্রিয় দলের জনপ্রিয়তা কমতে চলেছে।


 মানুষ আর আগের মতো অন্যায় মেনে নিয়ে,কেউ কেউ অন্যায় করেই সুবিধা পাবে,কোন রকমে মানিয়ে চলতে থাকবে,সেই অবস্থায় নেই। পুরনো দিনের সব কিছুর প্রতি রয়েছে নতুনদের ক্ষোভ। আওয়ামীলীগ ও বিএনপির শাসনামলের নিপীড়নের কথা মনে করে সমান তালে।একক পরিবার বৃত্তিক রাজনীতি করে আসছে এই দুই দল।একি সাথে হারিয়েছে তারা তাদের জনপ্রিয়তা। এখন বর্তমান সময়ের বিএনপির নেতৃত্বে আছে কিছু অপদার্থ নিরব ফ্যাসিস্ট। দেশের মানুষের কাছে আসতে চায়নি এই দুই দলের কোনোটিই। মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ এর মতো এ দুই দল।তাই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নিসিদ্ধের আলোচনা হলেই শুরু হয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন মূর্খ দুর্নীতিবাজ নেতাদের মায়া কান্না। বিএনপির হারিয়ে যাওয়া হয়েছে ২০০৬সালেই। আওয়ামী লীগের হারিয়ে যাওয়া হলো গত পাঁচ ই আগস্ট। শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী বিএনপি নেতৃত্বাধীন কোন দলের সুযোগ হবে না সংসদে বসার। নতুন সংস্করণ যুক্ত যে দলটি গুছিয়ে আসতে চলেছে অধিকাংশ আসন যাবে এদের দখলে বাকি গুলো জামায়াতের থাকবে। বাংলাদেশ দূর্নীতি মুক্ত হতে চায়। দুর্নীতি চিরদিনের জন্য বিদায় করতে জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জয় নিয়ে ছাত্র জনতার নতুন দল জাতীয় নাগরিক কমিটির কাছে আগামীর বাংলাদেশ নিরাপদ মনে করে এ সভ্য জাতি। বারবার নির্বাচনের কথা বলে,জনমনে ঘৃণার জন্ম দিচ্ছে বিএনপি। সংস্কার সময়ের দাবি। সংস্কার বিএনপির নেতৃত্বে কখনো সম্ভব নয় তাই হতাশ হবে বিএনপি। সংস্কার শব্দটি এখন রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে বারবার বলা উচিত। বিএনপি অন্ধকারে রাজনীতি করে। আলোকিত বাংলাদেশকে তাই তাদের নেতৃত্ব দেবার নেতা হীনতায় ভুগছে।যারা অন্যায় করে তাদের হাতে আর বিচারের দায়িত্ব তুলে দিতে চায়না বাংলাদেশের মানুষ। হয়তো জশের বসে কিছু ভোট পাবে তবে অবশ্যই কোন সুনাগরিক বিএনপির ব্যালটে ভোট দিতে পারে না। বিএনপি বাংলাদেশকে প্রাথমিকভাবে অনেক ক্ষতির মুখে ঠেলে দিয়ে পরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সহযোগিতা করে আসছে। আওয়ামী লীগের জন্য যাদের মায়া কান্না আসে তাদের বাংলাদেশ এ আর রাজনীতি করার অধিকার নেই। বিএনপি সহ এই বাংলায় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে,সে দিন বেশি দূরে নয়। বিএনপি কোন রাজনৈতিক দল নয়। মারামারি ভাঙচুর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করার নিরব ফ্যাসিস্ট দল। আওয়ামীলীগের আগে মানুষ বিএনপি কে ঘৃণা করতে শুরু করেছে। নির্বাচনের আগেই যে দলের সদস্যরা চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি পুরোদমে শুরু করে, তাদের মানুষ নির্বাচনের পর কিভাবে চাইবে?

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ