সাহিত্যে বিশেষ ব্যক্তিত্ব রফিকুল ইসলাম প্রিন্স মহোদয়ের সাথে কোন দুপুরে।


 সময় গুলো এতো দ্রুত কেটে যাচ্ছে, বুঝে উঠতে পারছিলাম না। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হলেও কোনো শখ আহ্লাদ পূরণে চেষ্টা কম করিনি। রফিকুল ইসলাম প্রিন্স স্যার আইনজীবী ও লেখক গবেষক ব্যবসায়ী।তার ব্যবসায়িক কাজে নিযুক্ত ছিলাম এক মাস।তার খুব কাছ থেকেই শিখেছি ছোট ছোট উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কিভাবে লড়তে হয়।

আমি খুব সামর্থ্যবান না হলেও পেয়েছি অনেক নামীদামী হোটেলগুলোতে বসে অচেনা কিছু বড়লোকদের খাবার খেতে। গ্রাম থেকে শহরে এসে তেমন কিছু বুঝে উঠতে পারছিলাম না তখন ই রফিকুল ইসলাম ভাই আমাকে হাত ধরে শিখিয়েছেন, ইটপাথরের শহরে নিজেকে মানিয়ে নিতে।
তবে শেষ পর্যন্ত আর থাকা হয়ে ওঠেনি, আগস্ট মাসের শুরুতে হাসিনার পতন ঘন্টা যখন বেজে উঠলো, তখন ই চাকরি ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছি। শহরে কোন চাকরি ছাড়া থাকার উপায় নেই।
শহরের মানুষের জীবনে আনন্দ গুলো খুব ছোট ছোট মুহূর্তের হয়।আমি শহরে জীবনে তেমন কষ্ট করিনি।জানি ক্যারিয়ার গড়তে শতভাগই ফিট থাকতে হয়। সাহিত্য প্রিয় ব্যক্তিত্ব হ‌ওয়ায় মনোবল ভেঙে যেতে দেইনি কখনো। সেদিন প্রচন্ড রোদ ছিল আমরা একটি প্রাইভেটকার এ বেশ কয়েকটি জমি দেখতে গেলাম, ভাবলাম আজকে দুপুর না হতেই যেহেতু কাজ শেষ, তাহলে কি আর একসাথে খাবার আমন্ত্রণ পাব। হয়তো খিলক্ষেতের বাসায় ফিরে দুপুরে খাব। কিন্তু সে আমাকে অনেক বার ভালো কিছু খাইতে দেয়।আমার পেছনে ছোট ছোট ইনভেস্টমেন্ট রয়েছে তার।
এখানো আমাদের দেখা হয় কথা হয়।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ