নতুন বাংলাদেশ চলছে কেন পুরনো সব নিয়মেই?


 ৫ই আগস্ট দীর্ঘ ষোল বছরের আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের উর্ধ্বতন এক ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পলায়নের মধ্য দিয়েই শুরু দ্বিতীয় স্বাধীনতা প্রাপ্তির ছাত্র জনতার নতুন বাংলাদেশের। প্রায় ৭২ঘন্টা অপেক্ষায় থেকে ৮৪ বছরের এক বিশ্বজয়ী প্রবীণের হাতে, তুলে দেয় এতো নবীন প্রাণের বিনিময়ে,দ্বিতীয় স্বাধীনতা প্রাপ্তির নতুন বাংলাদেশ কে।আট ই আগস্ট প্যারিস থেকে ফিরে দায়িত্ব বুঝে নিয়ে,দেন নতুন সংস্করণ যুক্ত করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। বিশ্ব জয় সহজ হতে পারে, বাংলাদেশ জয় কোন সহজ বিষয় নয়। যাইহোক স্বাধীনতা উপভোগ্য করতে অবাধে যা খুশি তাই লিখে যাব,এটা কখনো সুশিক্ষার চর্চা হতে পারে না।আমার প্রতিবেদন থেকে একটা কথার ও যদি বাস্তবে মিল খুঁজে পাওয়া না যায়, তাহলে আমি সাথে সাথেই মুছে ফেলতে বাধ্য হব এই প্রতিবেদনটি। ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস স্যারের কাছে এখনো বিশ্বের খবরাখবর যতটা সহজে অবাধে পৌঁছে যেতে পারে ততটা সহজে কিন্তু দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সহজ সাবলীল আলোচনা হচ্ছে না উপদেষ্টা পরিষদে। তারুণ্য বিষয় টি সবসময়ই রহস্যময় সত্য। উপদেষ্টা পরিষদে তারুণ্যের চেয়ে বৃদ্ধের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। বৃদ্ধের প্রকার আছে, প্রয়োজন ও আছে।প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় শিশু কাল থেকেই সাবলীল ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন,সুতরাং তার মাঝে রহস্যময় সত্যের তারুণ্য ছিলো আছে।বাকি বৃদ্ধ উপদেষ্টা পরিষদে তারুণ্যের চেতনায় বিশ্বাসী প্রবণতা দেখা যায় না। একজন বৃদ্ধ কে যেভাবে ব্যবহার করা যায়,ঠিক সেভাবেই কিন্তু একজন তরুণ কে যেভাবে খুশি ব্যবহার করা যায় না,কারণ তারুণ্যের নিজস্বতা স্বকীয়তা বজায় থাকে। যাইহোক শিরোনামে ফিরি, নতুন বাংলাদেশ কেন চলছে পুরনো সব নিয়মেই? এখন ও সেই সৎ সাহসী ভূমিকা রাখতে সক্ষম ব্যক্তিরা চাকরি হারিয়ে বেকারত্ব বরণ করে আছে। এখন ও চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি পুরোদমে চলছে। নতুন নতুন উপদেষ্টা যুক্ত হচ্ছে, নতুন নতুন সংস্করণ যুক্ত হচ্ছে না। সংস্করণ এই শব্দটি বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ কাল বৃদ্ধি করতে ভূমিকা পালন করছে।এটি একটি নিরব রাজনৈতিক কৌশলের শব্দ। হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা কতটুকু হচ্ছে?এখনো সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। সার্টিফিকেট দিয়ে শিক্ষার পরিমাপ হয় না। বাস্তবতার নিরিখে দক্ষতার প্রমাণ ই প্রকৃত অর্থে সুশিক্ষিত জ্ঞানী ব্যক্তির পরিচয়। অপদার্থ, নামমাত্র দেশ প্রেমিক নবনিযুক্ত উপদেষ্টাদের নিয়ে রয়েছে নানা উদ্বেগ উৎকণ্ঠা। প্রশাসনে পরিবর্তন কিছুটা আসলেও রয়ে গেছে পুরনো রুপের ই চর্চা। ছাত্রলীগের সদস্যদের সমন্বয়ক হয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে, তারুণ্যের ব্যর্থতার জন্য। তারুণ্যের ব্যর্থতার চেয়ে সফলতা অর্জন দ্রুত হয়।যারা সুশিক্ষিত দক্ষ জ্ঞানী ব্যক্তি হিসেবে কাজ করবে না তাদের উপদেষ্টা পরিষদে থেকে নিন্দা ছাড়া আর কিছুই অর্জনের নেই।এক প্রতিবেদনে একশো বাস্তবতার কথা তুলে ধরা সম্ভব নয় তাই সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করছি,আমার কাছে অনেক তথ্যই আছে, তবে অবশ্যই আমি রহস্যময় সত্যের তারুণ্য ধরে রাখতে কাজ করছি।এই বাংলাদেশের দায়িত্ব নিলে আমি অবশ্যই সফল হবো ইনশাআল্লাহ। সতর্কতা এই শব্দটি সবার জীবনে চর্চা হবার একটি বিষয়।সব কিছু জেনে বুঝে একটি উদ্যোক্তা হতে হয়। এখন ও পুরনো বাংলাদেশ এর মতো কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে উদ্যোক্তা হতে চাওয়া তারুণ্য!-মাহমুদুল হাসান খান, গবেষক সিমুয়েত ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ অথরিটি।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ