স্ববিরোধী বক্তব্য রেখে, রাষ্ট্রপতি কেমন বাংলাদেশ গড়তে চান?
বৈষম্যের শেষ দেখতে চেয়ে , দীর্ঘ ৩৬ দিনের লড়াইয়ে প্রাণ হারায় প্রায় দুই হাজার ছাত্র জনতার।সেই দুঃখ স্মৃতি মুছে ফেলতে দেশের দায়িত্ব তুলে দেয়া হয় বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী ৮৪ বছরের এক বৃদ্ধের হাতে।
বেশ স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ দেখতে চলেছে বাংলাদেশ, এই অসাধারণ বৃদ্ধের হাতে বাংলাদেশ।
আইনি প্রক্রিয়া ঠিক রাখতে, তখন ই ভুল বশত পাশাপাশি আরেকটি পুতুল ন্যায় বৃদ্ধ কে রেখে দেই, রাষ্ট্রের পতি করে।আর সেই বৃদ্ধ শুধু সময়ের অপেক্ষা করে কখন ফিরবে দেশের সেই সতের বছরের রাণী। রাণীর হাত ধরে আবারো দেশ দ্রোহী কুলাঙ্গার নাস্তিক শ্রেণীর নামমাত্র শিক্ষিত মূর্খ দুর্নীতিবাজ সাইকোদের জয়জয়কার অবস্থা। বাংলাদেশ এ একজন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক বেঁচে থাকা অবস্থায় যেন আর কখনো ঐ সতেরো বছরের পরিস্থিতি তৈরি না হয় সেই চেষ্টা করতে হবে। স্ববিরোধিতা করে এমন ব্যক্তির সুচিকিৎসার অভাব রয়েছে। তবুও সে রাষ্ট্রের পতি, বদলে দিতে চায় এখনকার নতুন সংস্করণ যুক্ত এই স্বাভাবিক পরিস্থিতি। আওয়ামীলীগ এমন একটি শব্দে পরিণত হয়েছে,যা সামাজিক ঘৃণার কেন্দ্রীয় শব্দ।এক ভিত্তিহীন চাটুকার কে মৃত মুজিব কে বানিয়ে রাখে জাতির পিতা।যার মৃত্যুর অবস্থা স্বাভাবিক বা সম্মানিত অবস্থায় হয় না তার স্মরণে কেউ মন থেকে শ্রদ্ধা সম্মান প্রদর্শন করে না। আওয়ামী পন্থী মানুষ মানেই মানসিক প্রতিবন্ধী স্বৈরাচারী মনোভাবের এই বিশ্বাস সমাজের দৌড় গোড়ায়। যতদিন এই দেশে আওয়ামী প্রিতী থাকবে, ততদিন এদেশে স্বাভাবিক পরিস্থিতি সহজে বিরাজ করতে পারে না।তাই আওয়ামী প্রিতী কোথায় আছে এজন্য বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার কে চিরুনি অভিযান চালিয়ে দেখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আওয়ামী প্রিতী মানেই বাংলাদেশের খেয়ে পড়ে ভারতের গোয়ালে দুধ দিতে যাওয়া গাভীর রূপে ফেরা। রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে এটা স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ,বুকা রাখালদের বাংলাদেশ হবে।



মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন